মাদরাসায় যেসমস্ত অনুদান গ্রহন করা হয় সাধারণ দান  যাকাত সাদাকাত  কোরবানীর চামড়া ও উহার মূল্য 

baitussalam
previous arrow
next arrow
পরিচিতি

কওমী মাদরাসা হচ্ছে খালেছ দীনী শিক্ষার কেন্দ্র। কওমী মাদরাসা বলতে ঐসব দীনী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বুঝায়, যেগুলো প্রথমত মদীনার সুফফা, দ্বিতীয়ত দারুল উলূম দেওবন্দের আদর্শ অনুসরণে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত। কোরআন-সুন্নাহর বিশুদ্ধ পঠন-পাঠন ও সুন্নাহ মুতাবিক আমলের দীক্ষা প্রদানই কওমী মাদরাসার মূল ব্রত। এদেশের সুপ্রসিদ্ধ ও সুপ্রতিষ্ঠিত কওমী মাদরাসাসমূহের একটি হচ্ছে আমাদের জামিয়া আরাবিয়া বাইতুস সালাম উত্তরা, ঢাকা। প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৩ খৃস্টাব্দে। বিশিষ্ট দানবীর হাজী আহসান উল্লাহ সাহেব-এর ওয়াকফকৃত দুই বিঘা জায়গার উপর এটি প্রতিষ্ঠিত। এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় উপমহাদেশের প্রতিথযশা বুযুর্গ হযরত মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুযুর রহ.-এর মুবারক হাতে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উত্তরোত্তর এর সমৃদ্ধি ও সুনাম চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। দেশের প্রায় সব জেলা থেকেই ইলমপিপাসু শিক্ষার্থীরা এখানে ছুটে আসে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষাসমাপণকারী হাফেয-আলেমগণ সারাদেশে যেমন ছড়িয়ে আছে, তেমনি দেশের বাইরেও বিভিন্ন দীনী খেদমতে নিয়োজিত আছে অনেকে।
এ প্রতিষ্ঠানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এখানে রয়েছে একটি সমন্বিত নেসাব। ৮ বছর মেয়াদী কিতাব বিভাগের শুরুর ৪ বছরে মাদানী নেসাব ও শেষের ৪ বছর বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া-এর শিক্ষাকারিকুলাম অনুসরণ করা হয়। মাদানী নেসাবের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এখানে প্রতিটি শাস্ত্রের প্রথম কিতাবটি পাঠদান করা হয় মাতৃভাষায়, যা একজন শিক্ষার্থীকে অতি সহজেই শাস্ত্রের সঙ্গে পরিচিত করে। তাছাড়া এখানে প্রথম বছরেই কোরআন-সুন্নাহর ভাষা আরবীর উপর এতটুকু যোগ্যতা তৈরি করে দেওয়া হয় যে, শিক্ষার্থী প্রাথমিক পর্যায়ের আরবী পড়া, বলা ও লেখার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। এমনকি কোরআন ও হাদীসের সহজতম পাঠগুলো অনায়াসে বুঝতে পারে।
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া-এর অধীনে সানাবিয়া উলইয়া (শরহে বেকায়া)-এর বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা অনেকগুলো মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ কিতাব পাঠের সুযোগ লাভ করে, যা তাদের ইলমী যোগ্যতাকে পোক্ত ও সমৃদ্ধ করে। আলহামদুলিল্লাহ, জামিয়া আরাবিয়া বাইতুস সালামের শিক্ষার্থীরা বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া ও আল হাইয়াতুল উলইয়া-এর পরীক্ষায় প্রতি বছরই ভালো ফলাফল করছে এবং কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে।
দেশ-বিদেশের নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে উচ্চ শিক্ষা অর্জনকারী যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী দ্বারা জামিয়ার শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালিত। এর যাবতীয় ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় রয়েছে একটি শিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নির্বাহী কমিটি। প্রতিষ্ঠানটির উন্নতি ও অগ্রযাত্রায় তাদের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা।
মহান আল্লাহ তাআলা এই জামিয়াকে কবুল করুন এবং দিন দিন এই জামিয়াকে আরো উন্নতি দান করুন এবং একে সকল ফেতনা ফাসাদ থেকে রক্ষা করুন। আমীন।

ইভেন্ট/প্রোগ্রাম সমূহ

জামিয়া আরাবিয়া বাইতুস সালামে শুভাগমন করলেন নেদারল্যান্ডের আস সুরুর চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের সম্মানিত দূত ড. রশীদ নাফে হাফিযাহুল্লাহ

জামিয়া ডেস্ক : ১৮ রবিউল আখির ১৪৪৭ হি. জামিয়া আরাবিয়া বাইতুস সালাম মাদরাসায় নেদারল্যান্ডের আস-সুরুর চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের সম্মানিত দূত ড. রশীদ নাফে (হাফিযাহুল্লাহ)-এর আগমন উপলক্ষে এক বিশেষ সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে পৌঁছালে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা শায়খকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। শায়খের আগমন মুহূর্ত এবং জামিয়ায় কাটানো তাঁর চমৎকার কিছু মুহূর্তের ভিডিও চিত্র।

শায়খ হাইসাম বিন আবু ইসহাক হুয়াইনি ও শায়খ হামযাহ আল-খালিদী’র আগমন উপলক্ষে জামিয়ায় বিশেষ মজলিস অনুষ্ঠিত

শায়খ হাইসাম বিন আবু ইসহাক হুয়াইনি ও শায়খ হামযাহ আল-খালিদী’র আগমন উপলক্ষে জামিয়ায় বিশেষ মজলিস অনুষ্ঠিত

জামিয়া ডেস্ক : গত ০৭/০৭/২০২৬ ঈসায়ী তারিখে জামিয়া আরাবিয়া বাইতুস সালামে এক মনোরম ও ইলমী আবহের সৃষ্টি হয়। এদিন জামিয়ায় শুভাগমন করেন মিসরের প্রখ্যাত আলেম শায়খ শাইখ আবু ইসহাক হুয়াইনি রহিমাহুল্লাহর সুযোগ্য পুত্র ড. হাইসাম এবং শায়খ ড. হামযাহ আল খালিদী (হাফিযাহুমাল্লাহ)।সম্মানিত মেহমানদ্বয়ের এই মোবারক আগমনকে কেন্দ্র করে মাগরিবের নামাজের পর জামিয়ার পক্ষ থেকে এক […]